Both umpire played with England; in recent England tour in Bangladesh.Their umpiring was not fair during Bangladesh v England at Dhaka, Mar 20-24, 2010.They played for England,they came to keeping an sacred intention so that England can win easily.If it would have happened with India & England their media made both of them naked; but Bangladesh did nothing...only blamed our fate being a weak TEST PLAYING NATION of ICC.In Cricinfo the news---" England top scorers, Tim Bresnan and Ian Bell, received let-offs from the umpires on the third day"((Read the whole news http://www.cricinfo.com/bdeshveng2010/content/story/45315... President Said,"
David Morgan, the ICC president, believes that the umpiring controversies that marred the third day of the Mirpur Test will help to encourage all cricket boards to embrace the use of the Umpire Decision Review System
" Shakib Al Hasan, Bangladesh's captain, was critical of the BCB following the third day's play, saying that had they chosen to pay for the referral technology, his team could have claimed a first-innings lead over England and made a push for their fourth Test victory.
Not only they didn't snatch 2 lbw for Bangladeshi bowlers against England but also a catch; Bangladesh fielders got a catch even they didn't give it.Both of them were fucking umpire ..................................undeserved ...................showed their stupidity ..................We hate them all time........
The blog about my work,Politics, Financial activities,ideas,Bangladesh,games,printing,blog,earn money etc
Tuesday, May 11, 2010
Thursday, May 6, 2010
BAL'S Student Wing & their activities..
নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে ছাত্রলীগ। প্রধানমন্ত্রীর একাধিকবার হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও থামছেই না সরকারি দলের এই ছাত্র সংগঠনটি।
ছাত্রী কিংবা পুলিশ, কেউই রেহাই পাচ্ছেন না ছাত্রলীগের তাণ্ডব থেকে। বরিশাল পলিটেকনিকে গতকাল রীতিমতো খুনোখুনির ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে হল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সোমবার দিবাগত রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতারা গতকাল পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দায়িত্বরত অবস্থায় মারধর করেছেন। আরেক ঘটনায় নিজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন খুলনা বিএল কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী। এ ছাড়া মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নীলফামারীতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষ এবং ছাত্রলীগ কর্মীকে নকলের দায়ে বহিষ্কার করায় বগুরার সারিয়াকান্দিতে ইউএনওর বাসভবন ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।
বরিশাল প্রতিনিধি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের চারজনকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে বেলা ১১টায় মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুর রহমান ছাবিদের অনুসারী অনুপ ও ইমরানের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজ্জাকের হাতে অনুপ লাঞ্ছিত হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছুক্ষণের মধ্যে উভয় পক্ষ শক্তি বৃদ্ধি করে পরস্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় ক্লাস। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। এদের মধ্যে সবুজ, রিয়াজ ও সুবিরসহ চারজনকে শেবাচিম হাসাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সময় কোতোয়ালি থানার পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা ছিল নীরব দর্শক। পুলিশের উপস্থিতিতেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের মহড়া দিতে দেখা গেছে। এমনকি পুলিশের গাড়ির পাশে এক ছাত্রকে কুপিয়ে আহত করা হলেও তাকে রক্ষায় পুলিশ এগিয়ে আসেনি।
ঘটনা সম্পর্কে সেখানকার দায়িত্বরত কোতোয়ালি পুলিশের এসআই সিদ্দিকের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মীর মোশারেফ হোসেন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জানান, পাল্টাপাল্টি হল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে কয়েক দফা সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
ছাত্ররা জানান, ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠন নিয়ে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব চলছিল। পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষণা দেওয়ার পর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি শেখ মো. আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় রড ও রামদা নিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে হলের ভেতর চার-পাঁচটি গুলি ছোড়ার পাশাপাশি দুটি বোমা ফাটানো হয়। এ সময় ১২-১৩টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। সোয়া ঘণ্টা সংঘর্ষের পর হলের প্রভোস্ট আক্কাস আলী ও প্রক্টর কে এম সাইফুল ইসলাম ২০-২৫ জন পুলিশ নিয়ে হলে প্রবেশ করেন। এরপর সভাপতি-সমর্থকরা হলের ভেতর মিছিল এবং হলের সামনে সমাবেশ করে। সংঘর্ষ চলাকালে সভাপতি-সমর্থক ইসলামি শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরকে প্রতিপক্ষ চারতলা থেকে ফেলে দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
এরপর গতকাল সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে সাধারণ সম্পাদক-সমর্থকদের হামলায় আহত হন মো. আলী অনুসারী মো. শাহিন। এর কিছুক্ষণ পর সভাপতি-সমর্থকদের পাল্টা আক্রমণে আহত হন প্রতিপক্ষের মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, মিলন ও মামুন হোসেন। এ সময় পুলিশ মো. রিপন ও বাবু নামে দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। এসব ঘটনায় মনিরসহ ১৩ জন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়
এদিকে হল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সোমবার দিবাগত রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতারা গতকাল পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দায়িত্বরত অবস্থায় মারধর করেছেন। আরেক ঘটনায় নিজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের কর্মীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন খুলনা বিএল কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী। এ ছাড়া মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে নীলফামারীতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘর্ষ এবং ছাত্রলীগ কর্মীকে নকলের দায়ে বহিষ্কার করায় বগুরার সারিয়াকান্দিতে ইউএনওর বাসভবন ঘেরাওয়ের ঘটনা ঘটেছে।
বরিশাল প্রতিনিধি জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের চারজনকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে বেলা ১১টায় মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুর রহমান ছাবিদের অনুসারী অনুপ ও ইমরানের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজ্জাকের হাতে অনুপ লাঞ্ছিত হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছুক্ষণের মধ্যে উভয় পক্ষ শক্তি বৃদ্ধি করে পরস্পরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় ক্লাস। এ সময় ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন। এদের মধ্যে সবুজ, রিয়াজ ও সুবিরসহ চারজনকে শেবাচিম হাসাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সময় কোতোয়ালি থানার পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা ছিল নীরব দর্শক। পুলিশের উপস্থিতিতেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের মহড়া দিতে দেখা গেছে। এমনকি পুলিশের গাড়ির পাশে এক ছাত্রকে কুপিয়ে আহত করা হলেও তাকে রক্ষায় পুলিশ এগিয়ে আসেনি।
ঘটনা সম্পর্কে সেখানকার দায়িত্বরত কোতোয়ালি পুলিশের এসআই সিদ্দিকের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ মীর মোশারেফ হোসেন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জানান, পাল্টাপাল্টি হল কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষে কয়েক দফা সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে।
ছাত্ররা জানান, ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠন নিয়ে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব চলছিল। পাল্টাপাল্টি কমিটি ঘোষণা দেওয়ার পর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি শেখ মো. আলী ও সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের সময় রড ও রামদা নিয়ে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে হলের ভেতর চার-পাঁচটি গুলি ছোড়ার পাশাপাশি দুটি বোমা ফাটানো হয়। এ সময় ১২-১৩টি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। সোয়া ঘণ্টা সংঘর্ষের পর হলের প্রভোস্ট আক্কাস আলী ও প্রক্টর কে এম সাইফুল ইসলাম ২০-২৫ জন পুলিশ নিয়ে হলে প্রবেশ করেন। এরপর সভাপতি-সমর্থকরা হলের ভেতর মিছিল এবং হলের সামনে সমাবেশ করে। সংঘর্ষ চলাকালে সভাপতি-সমর্থক ইসলামি শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরকে প্রতিপক্ষ চারতলা থেকে ফেলে দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
এরপর গতকাল সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের বাইরে সাধারণ সম্পাদক-সমর্থকদের হামলায় আহত হন মো. আলী অনুসারী মো. শাহিন। এর কিছুক্ষণ পর সভাপতি-সমর্থকদের পাল্টা আক্রমণে আহত হন প্রতিপক্ষের মোয়াজ্জেম হোসেন লিটন, মিলন ও মামুন হোসেন। এ সময় পুলিশ মো. রিপন ও বাবু নামে দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। এসব ঘটনায় মনিরসহ ১৩ জন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়
Subscribe to:
Comments (Atom)